আজ মঙ্গলবার রাত ৪:৪০, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৬শে শাবান, ১৪৪৬ হিজরি
আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর-২ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম সাঈদী বলেছেন, আমার পিতা কুরআনের পাখি আল্লামা সাঈদীকে বাংলাদেশ তথা বিশ্বের মানুষ একমাত্র কুরআনের কারণেই ভালোবাসতেন।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ধাওয়া রাজপাশা দরবার শরীফের বার্ষিক ইছালে সাওয়াব ওয়াজ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
শামীম সাঈদী বলেন, আল্লামা সাঈদীর বুকে ছিল পবিত্র কুরআন এবং মুখে ছিল হাসি। আল্লামা সাঈদী কুরআনের কারণেই মিথ্যার সঙ্গে কখনোই আপস করেননি। তিনি সবসময়ই শাহাদাতের তামান্না করেছিলেন।
তিনি বলেন, কুরআনের পক্ষে থাকলে সম্মান পাওয়া হবে আর কুরআনের বিপক্ষে গেলেই বেইজ্জতি হবেন। যার উদাহরণ ৫ আগস্ট। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা কুরআনের বিপক্ষে ছিলেন, বেইজ্জতি হয়ে দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। জালিমরা কখনোই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এই সংসদ সদস্য প্রার্থী বলেন, আমরা আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই, কুরআনের পার্লামেন্ট দেখতে চাই।
ধাওয়া রাজপাশা দরবার শরীফের পির মাওলানা নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কেরাত ইনস্টিটিউটের পরিচালক শায়খ আহমদ বিন ইউসুফ আল আজহারী।
উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, চকবাজার থানা জামায়াতের আমির মাওলানা মাহফুজুর রহমান। ভান্ডারিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আমির হোসেন খান, সেক্রেটারি মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান প্রমুখ।
তিনি বলেন, আল্লামা সাঈদী যদি ধর্ষক হন, লুটেরাজ হন, মানবতা বিরোধী হন তাহলে কেন হাজারের ওপরে অমুসলিম তার হাতে মুসলমান হয়েছেন। যেটা পৃথিবীর ইতিহাসে অন্য কারো ব্যাপারে শোনা যায়নি। আল্লামা সাঈদীর অপরাধ ছিল তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে কুরআনের দাওয়াত পৌঁছে দিতেন। যার কারণেই তাকে স্বৈরাচার হাসিনা সহ্য করতে পারেন নাই, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, বাংলার আপামর জনতা ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই আমরা এই স্বৈরাচার জালিম থেকে মুক্তি পেয়েছি।